মুঘল আমলের কৃতিগুলো খুব কাছ থেকে গিয়ে দেখে আসলাম । গিয়েছিলাম পুরান ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত আহসান মঞ্জিল । প্রাসাদের ঠিক দক্ষিণ দিকে বড়ি গঙ্গা নদী । গেট দিয়ে ঢুকার পর রাস্তার দুপাশে দেখা যায় ফুলের বাগান । লাল, নীল, বেগুনী রঙের ফুলের সমাহার, দেখে যেকেউ মুগ্ধ হবে । মঞ্জিলের সামনে বিশাল মাঠ । মঞ্জিল থেকে বড় একটা সিড়ি নেমে এসেছে । জমিদার শেখ এনায়েত উল্লাহ্ প্রাসাদটি তৈরী করেন । ১৮৩৫ সালের দিকে বেগম বাজারে বসবাসকারী নবাব আব্দুল গনির বাবা খাজা আলীমুল্লাহ এটা কিনে নিয়ে বসবাস শুরু করেন । ১৮৭২ সালে নবাব আব্দুল গনি নতুন করে নিমার্ণ করে তার ছেলে খাজা আহসান উল্লাহর নামে ভবনের নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল । আহসান মুঞ্জিল ঢাকার প্রথম ইট পাথরের তৈরী স্থাপত্য । যেখানে প্রথম বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা হয় নবাবদের হাতে । লর্ড কার্জন ঢাকায় এলে এখানেই থাকতেন । বাংলাদেশ সরকার আহসান মঞ্জিলকে জাদুঘর হিসেবে সংরক্ষণ করে ১৯৯২ সালে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয় । আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে প্রায় ৪ হাজার ৭৭ টি নিদর্শন রয়েছে ।
টিকেট- প্রাপ্ত বয়স্ক দর্শকের জন্য প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা,আর শিশুদের জন্য পাঁচ টাকা নির্ধারিত ।
আহসান মঞ্জিল খোলার সময়সূচি-
শনিবার থেকে বুধবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট, শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে । বৃহস্পতিবার জাদুঘর সাপ্তাহিক ছুটি থাকে । এ ছাড়া সব সরকারি ছুটির দিনেও জাদুঘর বন্ধ থাকে ।
কিভাবে আসবেন-
ঢাকার যেকোন স্থান থেকে গুলিস্তান আসবেন তারপর ওখান থেকে হেটে সদরঘাট যাবেন (২/৩ মিনিটের রাস্তা ) । সদর ঘাটে এসে যে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই দেখিয়ে দেবে আহসান মঞ্জিলের রাস্তা ।
![]() |
খুব কাছ থেকে আহসান মঞ্জিলের গম্ভুজ |
![]() |
| ভেতরে ঢোকার রাস্তা |
![]() |
| খুব কাছ থেকে উপরের জানালাগুলো |
![]() |
| মঞ্জিলের পেছন দিকটার ছবি |
![]() |
| মঞ্জিলের সামনে বেয়ে আসা নিচের সিড়িতে |
![]() |
| মঞ্জিলের বারান্দা |
![]() |
| মঞ্জিলের পেছনের দিক |
![]() |
| গম্ভুজের পাশের বারান্দা |
![]() |
| মুল ফটকে ঢোকার রাস্তা |
![]() |
| বেয়ে আসা সিড়ির উপরে দাড়িয়ে ছবি |
![]() |
| আহসান মঞ্জিলের নবাবদের ছবি |
![]() |
| তৎকালীন সময়ের যদ্ধে ব্যবহৃত ঢাল তলোয়ার |
![]() |
| নবাবদের ব্যবহৃত হাতির কঙ্কাল |
![]() |
| মঞ্জিলে ঢোকার পেছনের গেইট |
লেখক- সোহানুর রহমান সোহান
আদর্শ গ্রাম ভাদেরটেক
















No comments:
Post a Comment